September 20, 2026 9:48 pm
September 20, 2026 9:48 pm

বিদায় নীল সাদা

Authored By:

Published on:

September 11, 2026,
1 week ago
Related Stories

প্রতীকহীন

জোটের দরজা বন্ধ, নাকি খুলবে নতুন পথ

ব্রিকসের বাহুবলী

বিদায় নীল সাদা


অনিরুদ্ধ দে

একটা ছোট্ট ছেলে। 

পায়ে একটা ফুটবল। 

চোখে তখনও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন নেই, 

নেই কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার কোনও ধারণা। 

শুধু বল পেলেই ছুটে যাওয়া, প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়া আর গোল করার অদম্য আনন্দ। আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের সেই ছোট্ট ছেলেটাই একদিন হয়ে উঠবে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র। নাম তাঁর লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। ২০২৬ সালের আগস্টে এসে আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর একুশ বছরের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। কিন্তু মেসির এই বিদায়কে বুঝতে গেলে ফিরে যেতে হবে সেই ছোট্ট ছেলেটির কাছে, যে একদিন রোজারিওর মাঠে দাঁড়িয়ে শুধু ফুটবল খেলতে চেয়েছিল।

১৯৮৭ সালের ২৪ জুন আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্ম মেসির। খুব ছোট বয়স থেকেই ফুটবল তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মাত্র চার বছর বয়সে স্থানীয় গ্রান্দোলি ক্লাবে ফুটবলের হাতেখড়ি। এরপর নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের যুব দলে যোগ দেন। বয়স যত বাড়তে থাকে, ততই পরিষ্কার হয়ে ওঠে—এই ছেলেটির মধ্যে কিছু একটা আলাদা আছে। বল পায়ে তাঁর নিয়ন্ত্রণ, গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা বয়সের তুলনায় ছিল অবিশ্বাস্য।

কিন্তু মেসির পথটা মোটেই সহজ ছিল না। তাঁর শারীরিক বৃদ্ধির সমস্যা ধরা পড়ে। চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল, আর সেই চিকিৎসার খরচ বহন করা পরিবারের পক্ষে সহজ ছিল না। ফুটবল প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। ঠিক তখনই সামনে আসে স্পেনের বার্সেলোনার দরজা। মাত্র তেরো বছর বয়সে মেসি পাড়ি দেন আর্জেন্টিনা থেকে স্পেনে। নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ, নতুন জীবন—সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে লড়াই করতে হয়েছিল নিজের শরীরের সঙ্গেও।

বার্সেলোনার যুব একাডেমি লা মাসিয়ায় শুরু হয় নতুন অধ্যায়। সেখানে মেসি ধীরে ধীরে নিজেকে প্রমাণ করতে থাকেন। বয়সভিত্তিক দলের গণ্ডি পেরিয়ে তাঁর সামনে খুলে যায় মূল দলের দরজা। ২০০৩ সালে মাত্র ষোলো বছর বয়সে বার্সেলোনার প্রথম দলের হয়ে মাঠে নামেন তিনি। তখন হয়তো কেউ ভাবেনি, এই কিশোর একদিন বার্সেলোনার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নাম হয়ে উঠবেন।

২০০৪ সালে লা লিগায় তাঁর প্রতিযোগিতামূলক অভিষেক। ২০০৫ সালে আসে প্রথম গোল। তারপর থেকে যেন বদলে গেল বিশ্ব ফুটবলের গল্প। একের পর এক গোল, একের পর এক রেকর্ড, একের পর এক ট্রফি। বার্সেলোনার জার্সিতে মেসি হয়ে উঠলেন এমন একজন খেলোয়াড়, যাঁকে থামানোর জন্য প্রতিপক্ষের একাধিক খেলোয়াড়কে একসঙ্গে ছুটতে হতো। ছোটখাটো শরীর, কিন্তু বল পায়ে এমন নিয়ন্ত্রণ যেন ফুটবল তাঁর পায়ের সঙ্গে কথা বলছে।

বার্সেলোনায় মেসির সাফল্যের তালিকা যত দীর্ঘ হয়েছে, ততই তিনি হয়ে উঠেছেন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন। লা লিগা, কোপা দেল রে, স্প্যানিশ সুপার কাপ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ক্লাব বিশ্বকাপ—একটার পর একটা ট্রফি তাঁর হাতে উঠেছে। ব্যক্তিগত সাফল্যেও তৈরি হয়েছে ইতিহাস। ব্যালন দ’অর এসেছে বারবার। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিণত হয়েছে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় দ্বৈরথে। পৃথিবীর দুই প্রান্তে বসে থাকা কোটি কোটি মানুষ ভাগ হয়ে গিয়েছিল—কে সেরা, মেসি না রোনালদো?

কিন্তু একটা জায়গায় মেসির গল্প যেন বারবার অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছিল। বার্সেলোনার হয়ে তিনি সব জিতছেন, কিন্তু আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে বড় ট্রফি কোথায়? দেশের জার্সিতে তাঁর যাত্রাও শুরু হয়েছিল খুব অল্প বয়সে। ২০০৫ সালে হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক। কিন্তু সেই অভিষেকও ছিল অদ্ভুত। মাঠে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই লাল কার্ড দেখে তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল।

এরপর শুরু হয় জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ পথচলা। ২০০৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলেন মেসি। মাত্র উনিশ বছর বয়সে বিশ্বকাপে গোলও করেন। কিন্তু আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এরপর একের পর এক বড় মঞ্চে মেসির সামনে এসেছে সুযোগ, আবার এসেছে হতাশা। ২০০৭ কোপা আমেরিকার ফাইনালে হার, ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির কাছে পরাজয়, ২০১৫ কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হার, তার পরের বছরও একই প্রতিপক্ষের কাছে ফাইনালে পরাজয়—প্রতিবারই মেসির সামনে দাঁড়িয়ে থেকেছে একটা ট্রফি, আর প্রতিবারই সেই ট্রফি যেন হাতছাড়া হয়েছে।

সমালোচনা তখন তীব্র হতে শুরু করে। কেউ বলতে শুরু করলেন, বার্সেলোনার মেসি আর আর্জেন্টিনার মেসি এক নন। কেউ প্রশ্ন তুললেন, দেশের হয়ে তিনি কেন সফল হতে পারছেন না। মারাদোনার দেশের মানুষ চাইছিলেন নতুন এক বিশ্বজয়ী নায়ক। আর সেই চাপ ধীরে ধীরে মেসির ওপরও জমতে থাকে।

২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে আবারও হার। ম্যাচের পর মেসির চোখে জল। জাতীয় দলের হয়ে একের পর এক ফাইনালে ব্যর্থতার যন্ত্রণা তাঁকে এমন জায়গায় নিয়ে যায় যে তিনি ঘোষণা করেন, আর্জেন্টিনার হয়ে আর খেলবেন না। মনে হয়েছিল, মাত্র উনত্রিশ বছর বয়সেই শেষ হয়ে গেল জাতীয় দলের মেসি।

কিন্তু ফুটবল তাঁকে তখনও শেষ কথা বলতে দেয়নি। দেশের মানুষ তাঁকে ফিরে আসার জন্য অনুরোধ করল। সতীর্থরা তাঁকে প্রয়োজন বলে জানালেন। আর মেসিও বুঝলেন, আর্জেন্টিনার জার্সি থেকে দূরে থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি ফিরে এলেন।

তারপর এল ২০২১ সাল। ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়াম। সামনে ব্রাজিল। কোপা আমেরিকার ফাইনাল। একমাত্র গোলটি করলেন আনহেল দি মারিয়া। আর্জেন্টিনা জিতল। বহু বছরের অপেক্ষার অবসান। মেসি প্রথমবার সিনিয়র জাতীয় দলের হয়ে বড় আন্তর্জাতিক ট্রফি জিতলেন। শেষ বাঁশি বাজার পর সতীর্থরা তাঁকে ঘিরে ধরলেন। মাটিতে বসে পড়লেন মেসি। চোখে জল। কিন্তু এবার সেই জল হতাশার নয়, দীর্ঘ অপেক্ষার পর পাওয়া সাফল্যের আনন্দের জল।

এরপর ২০২২ সালে ওয়েম্বলিতে ইতালির বিরুদ্ধে ফাইনালিসিমা জয়। আর তারপর কাতার বিশ্বকাপ। হয়তো মেসির জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

কাতারে শুরুটাও হয়েছিল ধাক্কা দিয়ে। সৌদি আরবের কাছে হেরে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। আবারও প্রশ্ন উঠেছিল, মেসির বিশ্বকাপ কি এবারও অসম্পূর্ণ থেকে যাবে? কিন্তু সেই হার যেন আরও জেদি করে তুলেছিল দলটাকে। একের পর এক ম্যাচে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যেতে থাকে। মেক্সিকোর বিরুদ্ধে মেসির গোল, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, ক্রোয়েশিয়া—প্রতিটি ম্যাচ যেন তাঁকে নিয়ে যাচ্ছিল সেই স্বপ্নের আরও কাছে।

তারপর ফাইনাল। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে সেই অবিশ্বাস্য ম্যাচ। দুই দল মিলে ছয় গোল। নির্ধারিত সময়, অতিরিক্ত সময়—সব শেষে পেনাল্টি। আর্জেন্টিনা জিতল। লিওনেল মেসির হাতে উঠল সেই ট্রফি, যেটার জন্য তিনি বছরের পর বছর অপেক্ষা করেছিলেন। বিশ্বকাপ জয়ের পর মেসির মুখে যে হাসি দেখা গিয়েছিল, তার মধ্যে যেন মিশে ছিল তাঁর গোটা জীবনের সমস্ত কষ্ট, অপমান, ব্যর্থতা আর অপেক্ষার উত্তর।

যে প্রশ্নটি তাঁকে বছরের পর বছর তাড়া করেছিল—মেসি কি বিশ্বকাপ জিততে পারবেন? সেই প্রশ্নের উত্তর তখন পৃথিবীর সামনে।

হ্যাঁ, তিনি পেরেছেন।

বিশ্বকাপ জয়ের পর আর কিছু পাওয়ার নেই—এমনটাই হয়তো অনেকের মনে হয়েছিল। কিন্তু মেসি থামেননি। ২০২৪ সালে আবার কোপা আমেরিকা জিতলেন। আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর সাফল্যের তালিকা আরও দীর্ঘ হল। যে মেসিকে একসময় বলা হয়েছিল জাতীয় দলের হয়ে তিনি ব্যর্থ, সেই মেসিই শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ইতিহাসের অন্যতম সফল অধিনায়ক হয়ে উঠলেন।

এর মধ্যেই বদলে গেছে ক্লাব ফুটবলের জীবনও। ২০২১ সালে দীর্ঘ সতেরো বছরের সম্পর্কের ইতি ঘটে বার্সেলোনার সঙ্গে। চোখে জল নিয়ে বিদায় নিতে হয়েছিল সেই ক্লাবকে, যেখানে একজন কিশোর থেকে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বিশ্বের সেরা ফুটবলার। এরপর প্যারিস সাঁ জাঁ, তারপর ২০২৩ সালে ইউরোপ ছেড়ে আমেরিকার ফুটবলে পাড়ি। ইন্টার মায়ামির জার্সিতে নতুন অধ্যায় শুরু করেন মেসি। নতুন দেশ, নতুন লিগ, কিন্তু তাঁর নামের সঙ্গে থাকা প্রত্যাশা একই।

তারপর এল ২০২৬ বিশ্বকাপ। মেসির ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। বয়স তখন ঊনচল্লিশ। শরীর আর আগের মতো সাড়া দেয় না। আগের সেই গতি নেই, নব্বই মিনিটের প্রতিটি মুহূর্তে আগের মতো ছুটে বেড়ানো সম্ভব নয়। কিন্তু বল যখন তাঁর বাঁ পায়ে আসে, তখন এখনও মনে হয় সময় একটু থেমে গেছে।

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু এবার আর রূপকথার শেষ হয়নি। স্পেনের কাছে এক গোলে হেরে বিশ্বকাপের স্বপ্ন শেষ হয়। আর সেই ম্যাচের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে থাকে—এটাই কি আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচ?

অবশেষে ৩১ আগস্ট ২০২৬ এল সেই উত্তর। মেসি ঘোষণা করলেন, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে তাঁর পথচলা শেষ। একুশ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি। জাতীয় দলের হয়ে ২০৭ ম্যাচ এবং ১২৫ গোল—দুই ক্ষেত্রেই আর্জেন্টিনার ইতিহাসে শীর্ষে তিনি।

তবে এখানে একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি। মেসি পুরো ফুটবল থেকে অবসর নেননি। তিনি আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছেন। ক্লাব ফুটবলে তাঁর অধ্যায় এখনও শেষ হয়নি। অর্থাৎ নীল-সাদা জার্সির মেসিকে হয়তো আর দেখা যাবে না, কিন্তু ফুটবল মাঠে লিওনেল মেসির গল্প এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।

তবু আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ বাঁশিটা যেন বেজে গেল।

রোজারিওর চার বছরের সেই ছোট্ট ছেলেটা, যে শুধু ফুটবল খেলতে চাইত, একদিন হয়ে উঠল আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। বার্সেলোনার হয়ে ইতিহাস লিখল। ব্যালন দ’অর জিতল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতল। শত শত গোল করল। কিন্তু দেশের জার্সিতে বারবার ব্যর্থ হয়ে কাঁদল। অবসর নিল। আবার ফিরে এল। তারপর কোপা আমেরিকা জিতল, বিশ্বকাপ জিতল, আবার কোপা আমেরিকা জিতল।

আর শেষ পর্যন্ত যখন বিদায়ের সময় এল, তখন তাঁর হাতে ছিল সেই ট্রফি, যেটার জন্য সবচেয়ে বেশি অপেক্ষা করেছিলেন।

মেসির গল্প তাই শুধু সাফল্যের গল্প নয়। এটা হার না মানার গল্প। এটা অপেক্ষার গল্প। এটা সমালোচনার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বারবার প্রমাণ করার গল্প। এটা এমন এক ফুটবলারের গল্প, যিনি একসময় নিজের উচ্চতার কারণে পিছিয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফুটবলের উচ্চতাকেই বদলে দিয়েছেন।

হয়তো আর কোনও বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার দশ নম্বর জার্সিতে তাঁকে দেখা যাবে না। হয়তো আর কোনও বিশ্বকাপের মাঠে তাঁকে দেখে কোটি কোটি মানুষ একইসঙ্গে চিৎকার করবে না—“মেসি! মেসি! মেসি!”

কিন্তু ইতিহাসের পাতায় সেই নামটা থেকে যাবে।

রোজারিও থেকে বার্সেলোনা, বার্সেলোনা থেকে প্যারিস, প্যারিস থেকে মায়ামি, আর আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি থেকে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মঞ্চ—লিওনেল মেসির গল্প আসলে একজন ফুটবলারের গল্প নয়, একটা প্রজন্মের গল্প।

একটা ছোট্ট ছেলে একদিন বল নিয়ে মাঠে নেমেছিল।

আজ সে ছেলে নেই।

আছে শুধু কিংবদন্তি।

লিওনেল মেসি।

আর্জেন্টিনার দশ নম্বর।

বিশ্ব ফুটবলের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।

আর আন্তর্জাতিক ফুটবলের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে হয়তো তাঁর গল্পের সবচেয়ে আবেগের বাক্যটাই বলা যায়—

বিদায় নয়, লিও।

ফুটবল তোমাকে ভুলবে না।

p

Related Stories

প্রতীকহীন

জোটের দরজা বন্ধ, নাকি খুলবে নতুন পথ

ব্রিকসের বাহুবলী

বিদায় নীল সাদা